بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

الحمدالله والصلاة والسلام علي رسول الله وعلي اله وصحبه اجمعين أما بعد

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর উপর, আর তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবিদের উপর।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনে মুমিনদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে,

وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِي الْأَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ

‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদেরকে পৃথিবীতে নিজ খলীফা বানাবেন।’

সূরা নূর, আয়াত: ৫৫

এই ঐশী প্রতিশ্রুতি ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহকে পাথেয় করে, দ্বীনি জিন্দেগি গঠন ও সমাজ সংস্কারের মহান লক্ষ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে ‘বাবুস সালাম কাফেলা’।

এই কাফেলা কোনো গতানুগতিক সংগঠন নয়, বরং এটি কুরআন ও হাদিসের নির্দেশনার আলোকে আত্মশুদ্ধি ও উম্মাহর খেদমতের একটি সমন্বিত প্রয়াস। এর মূল ভিত্তি হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য, ‘আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকার’ (সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ)-এর বাস্তবায়ন এবং পারস্পরিক পরামর্শ বা ‘শূরা’র ভিত্তিতে কাজ আঞ্জাম দেওয়া।

এখানে মসজিদভিত্তিক মহল্লা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত একটি সুবিন্যস্ত সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে। যেখানে পবিত্র কুরআনের আয়াত, বদরের সাহাবী কিংবা জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবিদের সংখ্যার সামঞ্জস্য রেখে স্তরভিত্তিক কাফেলা সাজানো হয়েছে। এই কাফেলার অন্যতম প্রধান কর্মসূচি হলো নিরলস জোরদার মেহনতের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা বিস্তার, দ্বীনি পরিবেশ তৈরি এবং যোগ্য নেতৃত্ব গড়ার মাধ্যমে দেশে ‘খিলাফত আলা মিনহাজে নবুওয়াত’-এর পরিবেশ কায়েম করা।

দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে, তাকওয়া ও তাওয়াক্কুলের গুণে গুণান্বিত হয়ে, এবং আলেম-উলামাদের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এই কাফেলা মুসলিম উম্মাহকে এক পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ করার স্বপ্ন দেখে। এটি কেবল একটি কর্মপরিকল্পনা নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে এক নিরলস আধ্যাত্মিক ও সামাজিক আন্দোলনের রূপরেখা। কুরআন, সুন্নাহ ও ফিকহের কিতাবাদিতে যার বিস্তৃত আলোচনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা এই মহৎ উদ্যোগকে কবুল করুন এবং এর মাধ্যমে উম্মাহর মধ্যে কল্যাণ ও শান্তি বর্ষণ করুন। আমীন।

কাফেলা পরিচিতি

মূল লেখক

মুহাম্মদ আনিছুর রহমান

মুহতামিম — জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর, ঢাকা।

সম্পাদনায়

জামিয়া বাবুস সালামের ৮ জন সিনিয়র মুহাদ্দিস —

  1. মুফতী রফিকুল ইসলাম কাসেমী
  2. হা. মাওলানা তানভীরুল হক সিরাজী
  3. মুফতী আব্দুর রশীদ
  4. মুফতী মুসলিম উদ্দীন আফসারী
  5. মুফতী সাইফুর রহমান
  6. মুফতী জাওয়াদ তাহের কাসেমী
  7. মুফতী মাহমুদুল হাসান
  8. মাওলানা মাহমূদুর রহমান

সর্বপ্রথম অনুমোদনকারী

জামিয়া বাবুস সালামের ফারেগীণ সালওয়ালা ৪১ জন মুবাল্লিগ।

মারকায

কেন্দ্রীয় দারুল উলুম বাবুস সালাম
আশকোনা, হাজীক্যাম্প, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০।

এই বিভাগে যা আছে

কাফেলার দিকনির্দেশনা, লক্ষ্য, কাঠামো ও শপথ — সবই আলাদা পেজে সাজানো হয়েছে।

কুরআন ও হাদিসের দিকনির্দেশনাকাফেলার কর্মী, সদস্য ও আমীরদের করণীয় সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস লক্ষ্য, কর্মসূচি ও বাস্তবায়নকাফেলার নাম, মূল লক্ষ্য, কর্মসূচি ও শুরার ভিত্তিতে পরিচালনা গঠন ও যোগ্যতাস্তরভিত্তিক রূপরেখা, গঠন পদ্ধতি, আমীর ও সাথী হওয়ার যোগ্যতা সাথীদের বৈশিষ্ট্য ও শপথনামাসাথীদের গুণাবলি, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য এবং শপথের পাঠ হাওয়ারিয়িন কাফেলাবাবুস সালাম কাফেলার মুঈন ও মদদগার কাফেলার সংখ্যা কাফেলা সদস্য ফরমকাফেলায় যুক্ত হওয়ার অনলাইন ফরম
← মূলপাতা কুরআন ও হাদিসের দিকনির্দেশনা →